তাবিজ নয় তাওয়াক্কুল – কোরআনের আলোয় রুহানী চিকিৎসা।

         




🕋 তাবিজ নয় তাওয়াক্কুল – কোরআনের আলোয় রুহানী চিকিৎসা।

—কখনো কি এমন হয়েছে—চিকিৎসা করেও কিছু হচ্ছে না? টাকার পর টাকা চলে যাচ্ছে, অথচ উপকার মিলছে না?
এই হতাশার ভেতরেই আশার আলো হয়ে আসে আল্লাহর কালাম — কোরআনের আয়াত।
আর সেই আলো থেকেই আমরা আহ্বান জানাই: তাবিজ নয়, তাওয়াক্কুল।


🔍 তাবিজ নিয়ে বিভ্রান্তি

আমাদের সমাজে তাবিজ নিয়ে দুই ধরনের কথা খুবই প্রচলিত—

🔴 তাবিজে কিছুই হয় না।
🔴 তাবিজ মানেই শিরক।

❓ কিন্তু সত্যি কি তাই? আসুন, শরিয়তের আলোকে দেখি:

✅ তাবিজে যদি থাকে কোরআনের আয়াত,
✅ তাবিজ যদি তৈরি হয় শরিয়ত অনুযায়ী,
✅ আর যদি মানুষ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো ওপর নির্ভর না করে—

তাহলে তা শিরক হয় না। বরং এটিও একটি রুহানী চিকিৎসা।


🕌 রাসুল ﷺ কি রুহানী চিকিৎসা করতেন?

হ্যাঁ, করতেন।
রাসুলুল্লাহ ﷺ সাহাবীদের উপর দোআ পড়ে ফুঁ দিতেন।
তিনি নিজে অনেক দোআ শিখিয়ে গেছেন, যা রোগ-ব্যাধি বা বিপদের সময় আমরা পড়ি। যেমন:

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন হাম্মি ওয়াল হাযন।
আউযু বিসুন্নিল্লাহিল আযীমি মিন শাররি মা আজিদু ও উহাযির।

এগুলোই তো রুহানী চিকিৎসা। তাহলে কোরআনের আয়াতে তৈরি একটি তাবিজ যদি এই দোয়াগুলোর মতোই হয়—তাহলে কেন সেটা শিরক হবে?


✅ আমরা কীভাবে কাজ করি?

আমরা কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে সম্পূর্ণ শরিয়ত-সম্মত রুহানী চিকিৎসা করি। আমাদের কার্যক্রমের বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

🔹 আমরা তাবিজ দেই – কিন্তু গ্যারান্টি দেই না।
🔹 শিফা একমাত্র আল্লাহর হাতে, আমরা শুধু একটি মাধ্যম।
🔹 আমরা কোনো নির্ধারিত টাকা নেই না – যে যা খুশি মনে দেয়, সেটাই যথেষ্ট।
🔹 আমরা কোনো জিন বা গায়েবি শক্তির সাহায্য নেই না – কারণ এটা হারাম।
🔹 আমাদের তাবিজে নেই কোনো জাদু, শিরকি কালাম বা বুজরুকি কথা।

এটা শুধুমাত্র আল্লাহর কালাম দিয়ে তৈরি একটি পবিত্র রুহানী চিকিৎসা।


🌿 কারা উপকৃত হতে পারেন?

যাদের জীবনে নিচের যেকোনো সমস্যা দেখা দিয়েছে, তারা চাইলে শরিয়ত সম্মত রুহানী চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন:

  • যাদুর বাঁধা বা প্রভাব
  • মানসিক অস্থিরতা, দুশ্চিন্তা বা অবসাদ
  • জিনের আসর বা বদ নজর
  • সংসারে অশান্তি, কলহ, অবারকত
  • বারবার চাকরিতে ব্যর্থতা বা ব্যবসায় ক্ষতি
  • দাম্পত্য জীবনে অবিশ্বাস বা ভালোবাসার অভাব
  • সন্তান না হওয়া বা সন্তান অবাধ্য
  • রহস্যময় অসুস্থতা, যেটার কোনো চিকিৎসা কাজ করছে না
  • ঘুমে ভয়, দুঃস্বপ্ন বা বিভ্রান্তি
  • মামলায় পরাজয় বা সামাজিক শত্রুতা
  • নামাজে অমনোযোগ বা দ্বীনের পথে থেকেও সমস্যা
  • নতুন বাড়ি, দোকানে অশান্তি
  • পরিবারে অশুভ পরিস্থিতি
  • হালাল ভালোবাসা টিকিয়ে রাখতে সমস্যা

📌 আমাদের থেকে আপনি যা পাবেন:

🔹 আমল ও দোআ: আপনার সমস্যা অনুযায়ী কোরআন-হাদীস থেকে আমল ও দোআ দেওয়া হয়।
🔹 তাবিজ: শুধুমাত্র কোরআনের আয়াত ও সহীহ দোআ দিয়ে তৈরি।
🔹 পরামর্শ: কীভাবে নিজের আমল ও ভরসা বাড়াবেন – সে বিষয়ে হেল্প করা হয়।
🔹 ব্যবসা নয়, সেবা: আমরা এটাকে ব্যবসা বানাই না। শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে করি।


❗কিছু সতর্কতা:

❌ যদি কেউ এই তাবিজকে অলৌকিক কিছু মনে করে — সেটা ভুল।
❌ যদি কেউ আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো উপর ভরসা করে — সেটাও হারাম।
❌ যদি কেউ তাবিজকে আল্লাহর বিকল্প ভাবেন — তাহলে তা শিরক।

✅ সঠিকভাবে, শরিয়ত মোতাবেক এবং পূর্ণ বিশ্বাস নিয়ে ব্যবহার করলে —
তাবিজ হতে পারে উপকারের মাধ্যম, আল্লাহর রহমতের বাহক।


🤲 শেষ কথা

আমরা কেউ শিফা দিতে পারি না।
আমরা কেবল দোআ করতে পারি, কোরআনের আয়াত দিতে পারি, এবং তাওয়াক্কুল শেখাতে পারি।

“শিফা শুধু আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।”
আমরা শুধু সেই আলোর পথে পথপ্রদর্শক।


📞 যদি আপনি এই ধরনের কোনো সমস্যায় পড়ে থাকেন – যোগাযোগ করুন হোয়াটসঅ্যাপে।

WhatsApp — 01980482475

🕌 বিশ্বাস না থাকলে অন্তত জানুন —
এটা ব্যবসা নয় বরং একটি রুহানী সেবা।
বিশ্বাস থাকলে ইনশাআল্লাহ আপনি উপকৃত হবেন।



অর্থ প্রাপ্তির বিশ্বের স্রেষ্ঠ তদবীরঃ

 


আমরা সর্বসাধরনের জন্য এমন একটি তদবীর পোষ্ট করছি যা একই সাথে দুস্থ মানুষদের যেমন উপকারে ব্যবহৃত হবে। তেমনি অসংখ্য আর্থিক সঙ্কটে থাকা বিপদাপন্ন মানুষ হয়তো তার বিপদ হতে মুক্তি পাবে। এই তন্ত্রটি আমাদের ওয়েবের উপঢৌকন হিসেবে প্রেরন করেছেন মঙ্গোলিয়ার গুরু সিওয়াইম খান, আপনি খুব সহজেই নিজের আর্থিক সঙ্কট দুর করতে এই তদবীর ব্যবহার করতে পারেন। এটি একটি ওয়েষ্ট্রান তদবীর যা আমাদের চিরায়িত এশিয়ান তদবীরের মত নয়। আপনাকে প্রথমত কয়েকটি জিনিস জোগার করতে হবে। নিচে তার তালিকা ও নিয়ম বর্নিত হলো। এখানে আমাদের এই ওয়েবে শুধুমাত্র এই তদবীরটি সকলের করে উপকৃত হওয়ার জন্য সার্বিক অনুমতি দেওয়া হলো, তবে আপনি উপকৃত হলে অবশ্যই প্রতিষ্ঠানে তার জন্য প্রতিষ্ঠানের অনুদানে কিছু প্রেরনের জন্য অনুরোধ রইলো। এতে আপনি অবশ্যই উপকৃত হবেন।

তদবীর ইকুইপমেন্ট তালিকাঃ

১) হলুদ, সাদা, গোলাপী (পিঙ্ক) কালারের তিনটি মাঝারি সাইজের মোমবাতী।

২) জেসমিন আতর (চামেলী ফুলের ঘ্রান থাকবে)

৩) এক টুকরা সাদা কাপড় (২x২") দুই স্কয়ার ফিট।

৪) কিছু ঘর সুগন্ধ করার জন্য গোলাপ জ্বল, আগর বাতী, কর্পূর।

৫) একটি পবিত্র সাদা কাগজ।

৬) একটি নীল কালিতে লেখার কলম।


মন্ত্রঃ

I am rich, I am masterful, I am wise, I am honored

The moon is as bright as the light shines everywhere

Give me the same way, make the wealthy rich as the sea,

Fill me with respect before you die


বিধিঃ সর্বপ্রথম আপনাকে চন্দ্রমাসের পূর্নিমা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এবং এরপর আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে পরবর্তী নবচন্দ্র পর্যন্ত। আপনার কাজটি শুরু করতে হবে যে কোন পূর্নিমার রাত্রে কোন উচু স্থানে পূর্বদিকে মুখ করে বসে উপরক্ত মন্ত্রটি চন্দ্রের দিকে তাকিয়ে ৫০৭ বার পড়তে হবে। এবার পরবর্তী নব চন্দ্রের শুরুর দিন সন্ধ্যায় চন্দ্র দেখে একটি নির্জন ঘরে আসন পেতে বসবেন। সামনে তিনটি মোমবাতী দিয়াশালাই দ্বরা জ্বালাবেন এবং নিজের দের হতে দু হাত সামনে ত্রিকোন ভাবে রাখবেন। তার পর একটি সাদা পবিত্র কাগজে নীল কালিতে উপরোক্ত মন্ত্রটি লিখে তার নিচে আপনার পূর্ণ নামটি লিখবেন। এবার সাদা কাপড়টি সামনে বিছিয়ে তার উপর কাগজটি রাখবেন। এবার মোমবাতির দিকে দৃষ্টি নির্দিষ্ট করে ধ্যনের মত আপনার যত অর্থ ঋন বা প্রয়োজন তার কল্পনা করতে করতে মন্ত্রটি জপ করতে থাকুন। ১০১ বার মন্ত্রটি জপ করে কাগজের উপর একটি ফু দিবেন এবং কাগজটি সহ কাপড়টি আপনার চোখে বাধবেন এবং আপনার অর্থ পেয়েছেন বা কেউ আপনাকে আপনার চাহিদার অর্থ দিয়ে যাচ্ছে সেটি কল্পনা করুন, খুব মনযোগের সাথে কল্পনা করুন অন্তত্য ৩০ মিনিট এরপর কাজটি শেষ করুন। রাত্রে ঘুমানোর সময় কাগজ ও কাপড়টি চোখে বেধে ঘুমাবেন। এভাবে প্রতিদিন কাজটি করতে হবে পরবর্তী পূর্নিমা পর্যন্ত এর মধ্যেই আপনার ঋন পরিশোধ হবে আপনার চাহিদা পূর্ণ হবে।


✅_যেকোনো কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন। অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না। তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।


যোগাযোগ: (24/7)

imo & What'sApp

+88 01980482475

Akashguru2475@gmail.com

হারানো মনের মানুষকে ফিরে পেতে চান।

  

আমরা সাধারন মানুষ কখনই আমাদের কাছে যা আছে তার কদর বুঝি না, আমাদের আশে পাশে যারা থাকে তাদের মূল্যায়ন করি না, যারা আমাদের ভালোবাসে তাদের ভালোবাসার মর্ম বুঝি না। অথচ ঠিক একটা সময় যখন সেই জিনিসটি হারিয়ে যায়, নষ্ট হয়ে যায়, কাছের মানুষটি দুরে চলে যায়, ভালোবাসার মানুষটি অন্য কারো হয়ে যায়, তখন আমরা ঠিক কেদে কুল ভাসাই।

এটিও চিরন্তন সত্য সাধারনত যে জিনিসটি বা যে ব্যক্তিকে আমরা সত্যিকার অর্থেই বেশি ভালোবাসি বেশি চাই একটি সময় ঠিক সেটি নষ্ট হবে বা ব্যক্তিটি আমাদের ছেরে চলে যাবে – হারিয়ে যাবে। আমাদের সকলের উচিৎ যা আমাদের জন্য জরুরী, যে ব্যক্তিটি ছাড়া আমাদের চলে না, যাকে ছাড়া আমার জীবনটা অনর্থক মনে হয়, সে যখন কাছে থাকে তখন তার মূল্যায়ন করা, তার যথাযথ কদর করা। এতে করে আপনার প্রতি তার আগ্রহ যেমন থাকবে তেমনি আপনাকেও সে ততটুকুই ভালোবেসে আকড়ে থাকবে। হারানোর ভয় কম থাকবে, হয়তো হারাবেই না।
আমরা আমাদের কাছের মানুষের দুরে সরে যাওয়ার পিছনে অনেকাংশে নিজেরাই দায়ী। আমাদের গাফিলতি ও অবহেলার কারনেই অনেককেই পরে পস্তাতে হয়, চোখের জল ফেলতে হয়। তাকে ফিরে পাওয়ার আসায় দারে দারে ঘুরতে হয়। আর সেই সুযোগের অপেক্ষায় বসে থাকা কিছু অসাধু বাঙ্গালী আমাদের আবেগ ও ইমোশনকে পুজি করে আমাদের সাথে প্রতারনা করে আমাদের অনুভুতি নিয়ে খেলা করে, অনেক স্বার্থন্বেসি বন্ধুবেশি মানুষও সেই সুযোগে তাদের স্বার্থ চারিতার্থ করে।
আমরা কেনো চেষ্টা করতে পারি না তারা যখন কাছে থাকে তখনই এমন ব্যবস্থা করতে যাতে কখনোই সে আমাকে ছেড়ে চলে না যায়। এতে সময় শ্রম, অর্থ, মনো কষ্টো সকল কিছুর’ই সাশ্রয়।
এমন হাজারো মানুষ রয়েছে যারা হয়তো এমন ভুল করেই ফেলেছে এবং এখন কপাল চাপড়ে সেই মানুষটিকে ফিরে পেতে সকল কিছুই করতে রাজি তাদের জন্যই আমরা সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছি। আপনারা নিশ্চিন্তে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনার হারানো মানুষটিকে আপনার নিকট ফিরিয়ে আনবো।

✓বি:দ্র: যে কোন কাজ করার পূর্বে ভালো গুরুর অনুমতি নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করুন, অন্যথায় ক্ষতি হলে কর্তৃপক্ষ দায়ী থাকবে না, তবে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। 
+88 01980482475 
Akashguru2475@gmail.com

ত্রাটক মহাবিদ্যা — আত্মশক্তির জাগরণ

 




ত্রাটক মহাবিদ্যা — আত্মশক্তির জাগরণ

নিজের ভেতরের আলো জ্বালাও, খুঁজে নাও সত্যিকার আমি-কে


বর্তমান পৃথিবীতে এক নতুন ধারা দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে — মেডিটেশন বা ধ্যান।
আমাদের বাংলাদেশেও এখন এমন বহু প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ধ্যান ও যোগব্যায়াম শেখানো হয়। আজকের মিডিয়ার যুগে চোখ-কান খোলা রাখলে দেখা যায়, বিশ্বজুড়ে বিশেষ করে ডিসকভারি বা ন্যাশনাল জিওগ্রাফির মতো চ্যানেলগুলোতেও ধ্যানচর্চার বিস্ময়কর দৃষ্টান্ত তুলে ধরা হয়। এমন অনেক দেশ আছে, যেখানে ধ্যান-সাধনা এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, মানব মনের পক্ষে অসম্ভব বলে কিছু আর যেন অবশিষ্ট নেই।

বাংলাদেশেও বহু শ্রদ্ধেয় মেডিটেশন গুরুজন ধ্যান ও যোগের প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন — যা আমাদের মানসিক ও শারীরিক উন্নয়নের জন্য যথেষ্ট কার্যকর। একজন মানুষ নিজের জীবনযাত্রা উন্নত করতে যা যা প্রয়োজন, সেই সবই এই প্রশিক্ষণগুলোতে শেখানো হয়।

কিন্তু প্রশ্ন হলো — আমরা যা জানি, তা কি যথেষ্ট?
এর বাইরে কি আর কিছু নেই? সত্যিই কি নেই?


ধ্যানের গভীরতা — ইতিহাসের আলোয়

ধ্যান বা তপস্যার বিষয়টি নতুন নয়। প্রাচীন গ্রন্থে এর অসংখ্য উদাহরণ আছে।
যেমন হিন্দু শাস্ত্রে বলা হয়েছে — যখন দেবাদি দেব মহাদেব শিব কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতেন, তখন তিনি ধ্যানে বসতেন।
তাহলে প্রশ্ন জাগে, তিনি যদি স্বয়ং ভগবান হন, তবে তিনি কার ধ্যান করতেন?

আবার আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনেও দেখা যায় — তিনি হেরা গুহায় নির্জনে ধ্যানে নিমগ্ন থাকতেন।
তাঁর মতো মহামানব যদি ধ্যানের মাধ্যমে সত্যের সন্ধান পেতে পারেন, তবে কেন তাঁর উম্মতদের জন্য ধ্যানকে সুন্নত বা ফরজ ঘোষণা করা হয়নি?
আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে এই প্রশ্নের উত্তর এখনো ধরা দেয়নি।

অন্যদিকে, বৌদ্ধ ধর্মের মূলেও রয়েছে ধ্যান সাধনা। স্বয়ং গৌতম বুদ্ধ দীর্ঘ ধ্যানের মাধ্যমে সত্যের আলো আবিষ্কার করেন।
তাই দেখা যায়, পৃথিবীর যত মহামানবের ইতিহাসই আমরা দেখি না কেন—প্রত্যেকের জীবনেই কোনো না কোনো রূপে ধ্যান বা মনোনিবেশ ছিল তাদের সাফল্যের কেন্দ্রে।


আমাদের ধ্যান — আমাদের পথ

আমরা আজ যেটাকে মেডিটেশন বলছি, তা আসলে ধ্যানের বিশাল সমুদ্রের সামান্য একটি কণা মাত্র।
কিন্তু এই ক্ষুদ্র কণাটিও যদি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে একজন সাধারণ মানুষও হয়ে উঠতে পারে অতিমানব বা মহামানব

আমাদের এই উদ্যোগ—“ত্রাটক মহাবিদ্যা”—মূলত এই ধ্যান প্রশিক্ষণকেই কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।
তবে আমরা এটিকে কেবল মেডিটেশন বা যোগ বলব না; আমাদের ভাষায় এটি ত্রাটক সাধনা


ত্রাটক — দু’ধারী তলোয়ার

ত্রাটক এমন এক শক্তিশালী সাধনা, যার ক্ষমতা দ্বিমুখী তলোয়ারের মতো।
এটি যদি ভুল হাতে পড়ে, তবে সেই ব্যক্তি নিজেই ধ্বংস হতে পারে, কিংবা সমাজে বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে।
এ কারণেই আমাদের দেশের সম্মানিত মেডিটেশন গুরুজনেরা তাদের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নির্দিষ্ট সীমারেখা (Boundary) স্থাপন করে দেন, যাতে কেউ সেই সীমা অতিক্রম করতে না পারে।

এই সীমারেখার মধ্যেই নিরাপত্তা।
যে শিষ্য যতই ভালো বা খারাপ প্রকৃতির হোক না কেন, সে কখনোই তার নির্ধারিত সীমার বাইরে যেতে পারবে না।
ফলে সে যা শেখানো হয়েছে, কেবল তাই করতে পারবে—না কম, না বেশি।
এটাই আমাদের জন্য কল্যাণকর।


তাহলে কি আমরা থেমে থাকবো?

প্রশ্ন আসতে পারে—এই সীমার মধ্যে থেকেই কি আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগোতে পারব?
আমরা কি মসজিদ বা মন্দিরে স্যান্ডেল চুরির ভয়ে সেখানে যাওয়া বন্ধ করব?
অবশ্যই না!
ঠিক তেমনি, ত্রাটক সাধনাও আমাদের নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে পারে—যদি তা সচেতনভাবে করা যায়।


ত্রাটকের শক্তি — আত্মজাগরণের চাবিকাঠি

ত্রাটকের মাধ্যমে একজন মানুষ তার অন্তর্নিহিত শক্তি জাগিয়ে তুলতে পারে।
এই শক্তি তাকে তার আসল সামর্থ্য চিনতে সাহায্য করে।
প্রত্যেক মানুষের ভেতরেই আছে এক অবিনশ্বর, অসীম ক্ষমতাধর আত্মা,
যে নিজের বিচার, নিজের সিদ্ধান্ত, নিজের রক্ষাকবচ — সবই নিজেই হতে পারে।

যে স্রষ্টা এই অসামান্য মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি নিশ্চয়ই আমাদের ভেতর অসংখ্য সম্ভাবনা লুকিয়ে রেখেছেন।
আমরা যতদিন এই পথে না হাঁটব, ততদিন পর্যন্ত সেই শক্তিগুলোর সন্ধান পাব না।


আমাদের সামর্থ্য — আমাদের বাস্তবতা

আজ আমরা মোবাইল, রিমোট কন্ট্রোল, উড়োজাহাজ, বিদ্যুৎ—অসংখ্য জিনিস আবিষ্কার করেছি।
কিন্তু কখনও কি ভেবেছি—যে শক্তি আমাদের সৃষ্টি করেছে, সে শক্তি আমাদের ভেতর কতটা অসীম?

ত্রাটক সাধনার মাধ্যমে আমরা শিখব—

  • কিভাবে অন্তর্দৃষ্টি জাগিয়ে আগত বিপদ অনুভব করা যায়,
  • কিভাবে অবচেতন মনের ভাষা বোঝা যায়,
  • কিভাবে নিজের চিন্তা ও শক্তিকে নিয়ন্ত্রণে আনা যায়,
  • কিভাবে নিজের জীবনে শৃঙ্খলা ও প্রশান্তি আনা সম্ভব।

প্রতিটি মানুষই তার ভেতরের শক্তির সাহায্যে নিজের জীবন বদলে ফেলতে পারে।
ত্রাটক সেই শক্তির দরজা খুলে দেয়।


শেষ কথা

ত্রাটক মহাবিদ্যা এমন এক সাধনা যা মানুষকে নিজের অন্তর্লোকে পৌঁছে দেয়,
যেখানে সে নিজের ভেতরের সত্তার সঙ্গে পরিচিত হয়।
এই সাধনার মাধ্যমে জীবনের অস্থিরতা, হতাশা ও বিভ্রান্তি দূর হয়ে এক নতুন আলো জ্বলে ওঠে।
ত্রাটক আপনাকে এনে দিতে পারে এক অনন্য জীবনের স্বাদ —
যেখানে আপনি শুধু মানুষ নন, বরং নিজের সেরা সংস্করণ।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন —
WhatsApp — 1980482475



নিজে গায়েব হওয়ার মন্ত্র

মন্ত্রঃ
কুহুং বিহারী। হামারা কুরদে বিহারী। হেচার নাহি মেরা চিহারি। তো সবকো শিষ্ট্রা বৃথা জাউংগো।।

বি:দ্রঃ
এই মন্ত্র অমাবস্যা রাতে  বা যে কোন শনি বা মঙ্গলবার প্রসিদ্ধ গুরু দ্বারা চন্ডিবরন করে নিতে হবে। তারপর গুরু এর দেয়া বিধি-অনুযায়ী কাজ করলে ১০০% কাজ করবে। অনেক বার পরীক্ষিত। কিন্তু এই কাজ সব সময় করা যাবে না। যখন সিদ্ধ গুটিকা সিদ্ধি প্রাপ্তির সাথে থাকবে তখন সে গায়েব হতে পারবে। এই কাজ অত্যন্ত সহজ। যাদের গায়েব হওয়ার ইচ্চা কিন্তু পারছেন না। তারা আজই যোগাযোগ করুন।।
তান্ত্রিক গুরু রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ)
01705360257..........

বশিকরন ১০০০%

মন্ত্রঃ
জাগ রে জাগো রে কামাক্ষ্যা মা তুমি। ভবো অবতার হয়ে। আজরাইলে টানে অমুকের কন্যা অমুকের আত্তা অমুকের বেটা অমুকের দিকে। লেংটা হয়ে নাচো তুমি ভবো অবতার। রাবনে তাহা দেখে করে অমকের দিগম্বর। উং দিগে দিগম্বর। শিব উদংকর। অমুক যদি অমুকের ন হয় মিলেন। রাবনের মন্ডু ছিড়ে পড়ে কামাক্ষ্যা মার যৌনির উপর।ওম হ্রিং শ্রীং স্বাহা।।

বি:দ্রঃ
এই মন্ত্র কুফরি মন্ত্র।এই মন্ত্র দ্বারা মাত্র ৩ দিনে যেকোন মানুষ কে বশ করা যায়। তাই যারা কাজ করাতে চান অবশ্যই যোগাযোগ করুন। কাজ ১০০% গ্যারান্টি। এর জন্য ছেলের নাম ও তার পিতার ন্ম আর মেয়ের নাম ও তার মাতার নাম লাগবে।
তান্ত্রিক গুরু রেদেয়ান ইসলাম (আকাশ)
01705360257..........

পাওয়ারফুল বশিকরন মন্ত্র

মন্ত্রঃ
দুই চক্ষে করিলাম নজর বন্ধি। এই নজর করিলাম শিশি তুলসী বান্ধি। রাম-লক্ষন ধনুকের বান। জিতা থাকলে খাট পালংক।। মইরা গেলে মহা শ্মশানঘাট। ছার ছার ছার তো বাপ মা ছার। ছার ছার ছার তোর আত্মীয়স্বজন ছার। ছার ছার ছার তোর পাড়া প্রতিবেশী ছার। আমারে ছাড়িয়া যদি অন্য দিকে যাস ফিরে। দোহায় হযরত আলী মা ফাতেমার মাথা খাস ছিঁড়ে। আমার এই মন্ত্র বিদ্যা যদি টুটে- মা ফাতেমার মস্তক ছিড়ে ভুমিষ্ঠে পড়ে।।।

বি:দ্রঃ
এই মন্ত্র দ্বারা নারী পুরুষ কে মাত্র ৩ ঘন্টায় বশ করা যায়।তবে হ্যা এই মন্ত্রের যাকাত হিসেবে চন্ডিবরন করা প্রয়োজন।চন্ডিবরন ছাড়া এই মন্ত্র কাজ হবে না।। এর জন্য চন্ডিবরন করার জন্য আপনার নাম ও আপনার মাতার নাম আর পিতার নাম লাগবে।
তান্ত্রিক গুরু রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ)
01705360257..........

বশিকরন মন্ত্র

মন্ত্রঃ
কাম ছেচাং ভাব ছেচাং। দম্ব দম্ব করি, অমুকের অঙ্গে জ্বালাইয়া দাও প্রেমের তরী, গিশানী গিশানী,রব্বানী রব্বানী। কাম ভাব হও,কাম ভাব হও,কাম ভাব হও।।।

বিধিঃ
এই মন্ত্র দ্বারা যেকোন ছেলে মেয়ে কে  বশ করা যায় মাত্র ৩ দিনে।কাজ ১০০% গ্যারান্টি সহকারে করা হয়ে থাকে। কাজ করাতে যোগাযোগ করুন। তান্ত্রিক গুরু রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ)
01705360257..........

কালী সাধনা (বান মারন)

মন্ত্রঃ
জয় জয় করে হুহুংকার ছাড়ে। পরবত শিখর ভাংগিলেক জ্বলে। অগনি-বান,শরবান,সারারাত। বালির পোতাপে সব ছাড়ে। মুষ্ঠিক করিয়া বালি ফেলে দিলাম। অমুকের বুকে- রক্ত উঠো ঝলকে ঝলকে তাহার মুখে। হিরিং ধিরিং ধু ধূ স্বাহা।।।

বিধিঃ
এই মন্ত্র রক্তখোরাকার বান মন্ত্র। এই মন্ত্র দ্বারা যেকোন মানুষ কে মাত্র ১ দিনে মারা যায়।বুলেটের গুলি মিছ হবে কিন্তু ওই মন্ত্রের কাজ কখনো মিছ হবে না। কাজ ১০০% গ্রারান্টি সহকারে কাজ করা হয়ে থাকে।। এর জন্য যাকে মারবেন তার নাম ও তার পিতা মাতার নাম লাগবে।
তান্ত্রিক গুরু রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ)
01705360257..........

লটারী ও জুয়ার নাম্বার জানার তদবীর

আজকাল মানুষ খুব সহজেই ধনী হবার জন্য জুয়া, লটারী, সাট্টা ইত্যাদি বেছে নিয়েছে।
যদি ও এই খেলা গুলো আইনগত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ তবু ও সানুষ এই সব খেলে।
কখনো হারে আবার কখনো জিতে।
এটি এক ধরনের নেশার মত।
ভৈরোজীর সাধনা ও কালী সাধনা দ্বারা জানা যায় সঠিক লটারীর নাম্বার।
বিস্তারিত জানার জন্য.....
01705360257..........

ছেলে বা মেয়ে বশিকরন

মন্ত্রঃ
দুই চক্ষে করিলাম নজর বন্ধি। এই নজর করিলাম শিশি তুলসী বান্ধি। রাম-লক্ষন ধনুকের বান। জিতা থাকলে খাট পালংক।। মইরা গেলে মহা শ্মশানঘাট। ছার ছার ছার তো বাপ মা ছার। ছার ছার ছার তোর আত্মীয়স্বজন ছার। ছার ছার ছার তোর পাড়া প্রতিবেশী ছার। আমারে ছাড়িয়া যদি অন্য দিকে যাস ফিরে। দোহায় হযরত আলী মা ফাতেমার মাথা খাস ছিঁড়ে। আমার এই মন্ত্র বিদ্যা যদি টুটে- মা ফাতেমার মস্তক ছিড়ে ভুমিষ্ঠে পড়ে।।।

বি:দ্রঃ
এই মন্ত্র দ্বারা নারী পুরুষ কে মাত্র ৩ ঘন্টায় বশ করা যায়। তবে হ্যা এই মন্ত্রের যাকাত হিসেবে চন্ডিবরন করা প্রয়োজন। চন্ডিবরন ছাড়া এই মন্ত্র কাজ হবে না।। এর চন্ডিবরন করার জন্য আপনার নাম ও আপনার মাতার নাম আর পিতার নাম লাগবে।
আর চন্ডিবরন হাদিয়াঃ 5200/- টাকা।। আর হ্যা যারা যারা চন্ডিবরন কি বুঝেন না,তারা অবশ্যই যোগাযোগ করে জেনে নিবেন।।
01705360257..........

মোহিনী তিলক বশিকরন মন্ত্র

বশিকরন মন্ত্র: ওঁ নমো তিলক ঈশ্বর, তিলক মহেশ্বর। তিলক জয় বিজয়কার, তিলক কাটিকে। নিকলু ঘরে সে মোহু, সকল সংসার। বিধি: মোহিনী তিলক, গোরোচনা, কর্পূর, কস্তরী, এই সব বস্তু ঐ মন্ত্রে অভিমন্ত্রিত করে। তিলক লাগালে তা দ্বারা সর্বজন বশিভূত হবে। নিয়ম জানতে আমার সাথে যোগাযোগ করুন, চন্ডিবরন দিতে হবে। Order id Number: 195033 হাদিয়া মূল্যঃ 7300/- টাকা মাত্র তান্ত্রিক রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ) 01705360257……….

মেয়ে বশিকরন

মেয়ে বশিভূত করার মন্ত্র: (1) বিল বিলাতি হার মারতি, হুম কুম পাশ। নিল সাগরের কাল পানির, টোনা মন্ত্রর ফাস। (2) হাত দরি পার হরি, অমুককে নারে বান মারি। পাগল হয় কাছে আসি, নিল সাগরের টোনা মারি। বিধিঃ এই মন্ত্রের নিয়ম অতি সহজ উপায়ে করা যাবে, চন্ডিবরন দিতে হবে। নিয়ম জানতে যোগাযোগ করুন। Order id Number: 195032 হাদিয়া মূল্য: 5250/- টাকা মাত্র তান্ত্রিক রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ) 01705360257……….

বান মারন মহাপ্রকরন মন্ত্র

বান মারন মন্ত্র: “ওঁ হ্রীঁ নাম হন হন সাহা” বিধি: তান্ত্রিক আচারে গ্রহনের দিন অথবা আমাবস্যার রাত্রিতে উপরক্ত মন্ত্র ১০,০০০ (দশ হাজার) বার জপ করে সিদ্ধি করতে হবে। সিদ্ধি করার পরবর্তী রাত্রিতে ৫১টা ফুল সরিষার তৈল দিয়ে ভিজিয়ে ফুলগুলো পারস্পর আগুনে ফেলতে হবে। তাহলে শুত্রুর মৃত্যু হবে, ইহা বহু প্রমানিত আবার ১০০% গ্যারান্টি সহকারে। নিয়ম: গুরুর অনুমতি নিতে হবে, অনুমতি নেওয়ার জন্য চন্ডিবরন দিতে হবে। Order id Number: 195035 হাদিয়া মূল্য: 21000/- টাকা মাত্র তান্ত্রিক রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ) 01705360257………..

পাওয়ারফুল বশিকরন

বশিকরন মন্ত্র: ধুল ধুলের রানী ওগো, মন চোরা শোন মোর রানী। বিধিঃ প্রথমে গুরুর অনুমোতি প্রয়োজন, অনুমোতি নিতে চন্ডীবরন দিতে হবে। এই মন্ত্র দারা কাজ করলে মেয়ের পায়ের নিচে বালির প্রয়োজন। ৫-৭দিনের মধ্যে ফলাফল পেয়ে যাবেন, বহু প্রমানিত। বাকি নিয়ম আমার কাজ থেকে সংগ্রহ করে নিবেন, চন্ডিবরন দিতে হবে। Order id Number: 195036 হাদিয়া মূল্য: 5350/- টাকা মাত্র তান্ত্রিক রেদোয়ান ইসলাম (আকাশ) 01705360257……….